এইচএসসি (HSC) বিএম কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

HSC বিএম কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর

এ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশাবলী ২০২১

শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনাঃ-

১) শিক্ষার্থীদের শিক্ষনফল অর্জনই মূল উদ্দেশ্য। পরবর্তী শ্রেণির পাঠ গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি সুবিধা প্রদান করবে, তাই এটি অনুসরণ করা জরুরি।
২) এ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে এনসিটিবি প্রণীত ও প্রকাশিত ২০২১ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করলেই চলবে। গাইড বই, নোট বই বা বাজার থেকে কেনা নোটের প্রয়োজন নেই।
৩) মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজস্বতা, স্বকীয়তা ও সৃজনশীলতা যাচাই করা হবে। তাই অন্যের লেখা নকল করে এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল করা হবে এবং পুনরায় সেই এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে।
৪) এ্যাসাইনমেন্ট সরাসরি নিজের হাতে লিখতে হবে। এতে হাতের লেখার যেমন অনুশীলন হবে, তেমনি বিষয়টি বুঝতেও সুবিধা হবে।
৫) এ্যাসাইনমেন্ট লেখার ক্ষেত্রে যে কোনো কাগজ ব্যবহার করলেই চলবে। তবে কাভার পৃষ্ঠায় নাম, শ্রেণি, রোল, বিষয় (সাবজেক্ট) ও এ্যাসাইনমেন্ট এর শিরোনাম/ধরণ স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

অভিভাবকগণের প্রতি পরামর্শঃ

১) শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে উৎসাহিত করা।
২) শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া মূলত তাদের শিখন অর্জন যাচাই এবং কোন কোন ক্ষেত্রে শিখনের ঘাটতি রয়েছে তা নিরুপণ করা। তাই শিক্ষার্থী নিজে যাতে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে তা নিশ্চিত করা।
৩) শিক্ষার্থীর অনুধাবন ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
৪) শিক্ষার্থী যেন সময়মত এ্যাসাইনমেন্ট পায় এবং তা যেন যথাসময়ে জমা দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করা।
৫) নোট বই, গাইড বই, বা অন্য কারও লেখা থেকে নকল করে এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল করা হবে এবং পুনরায় এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এ্যাসাইনমেন্ট তৈরির সময় যেন নোট বই বা গাইড বইয়ের সাহায্য না নেয়, বা কারও লেখা নকল না করে তা লক্ষ্য রাখা।

এইচএসসি (HSC) বিএম কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর

১ম অধ্যায়:
কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারনাঃ

১। ক) ডিজিটাল কম্পিউটার বলতে কি বুঝায়?
খ) কোভিড-১৯ সময় কালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে আধুনিক কম্পিউটারের ব্যবহার লিখ।
গ) সফটওয়্যার ব্যতীত হার্ডওয়ার অচল বর্ণনা কর। অথবা- হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক লিখ।

১। ক) উত্তর:

ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাব-নিকাশের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটারে বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সরাসরি মনিটরে বা অন্য কোন আউটপুট ডিভাইসে প্রদর্শিত হয়। মূলত এটি গণিতের নীতির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত একটি হিসাবকারী যন্ত্র। এটি ‘০’ ও ‘১’ দিয়ে সব ধরনের কাজের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সাধারণত তথ্য ব্যবস্থাপনা, লেখালেখি, হিসাব-নিকাশ, ছবি আঁকা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষ্মতা অনেক বেশি। সাধারণত কম্পিউটার বলতে ডিজিটাল কম্পিউটারকেই বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ : ল্যাপটপ, পিডিএ, ডেস্কটপ ইত্যাদি ডিজিটাল কম্পিউটার।

১। খ) উত্তর:

১। গ) উত্তর:

সফটওয়্যার:- সফটওয়্যার হচ্ছে নির্দেশনা এবং উপাত্তের একটি সংগ্রহ যা কম্পিউটারকে বলে কিভাবে কাজ করতে হয়। এটি ভৌত হার্ডওয়্যারের বিপরীত, যেখান থেকে সিস্টেম নির্মিত হয় এবং প্রকৃতপক্ষে কাজ সম্পাদন করে।

হার্ডওয়্যার:- হার্ডওয়্যার হলো একটি কম্পিউটারের (Physical) ভৌত সংগঠন। একটি আদর্শ কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।

এই দুটি উপাদান একে অপরের পরিপূরক এবং একটি ব্যাতিত অন্যটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। একটি কম্পিউটার কার্যকরভাবে ডাটা ম্যানিপুলেট করে এবং প্রয়োজনীয় আউটপুট প্রদান করে, এক্ষেত্রে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার একসাথে কাজ করতে হবে। সফটওয়্যার ছাড়া, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার অকেজো। ঠিক তেমনি, হার্ডওয়্যার সমর্থন ছাড়া কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে না। যেমন: প্রানীর ক্ষেত্রে, দেহ এবং প্রাণ একটি ব্যাতিত অপরটি অচল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here