এলার্জি রোগ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়! Best formula 2021

ঘরে বসেই এলার্জি রোগ এর সমাধান

বর্তমান যুগে অনেকে স্কীন এলার্জি রোগ এবং এলার্জেটিক রাইনাইটিস রোগে ভূগছেন। হয়তো আপনারা এন্টি এলার্জিক মেডিসিন খাইতে খাইতে বিরক্ত হয়ে গেছেন। স্কিন এলার্জি এবং এলার্জিটিক রাইনাইটিস এর ক্ষেত্রে গাঁদাফুল গাছ একটি অত্যান্ত উপকারি মহা ঔষধ।

এলার্জি রোগ এর লক্ষনঃ চিংড়ি মাছ, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, পুটি মাছ, বেগুন কিংবা হাঁসের ডিম এই জাতীয় খাবার খেলে শুরু হয় গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে উঠে। এগুলো হলো আপনার এলার্জি থাকার লক্ষণ। তবে এ থেকে মুক্তি পেতে অনুসরণ করুন আমাদের ঘরোয়া চিকিৎসাটি। যা সারাজীবনের জন্য বিদায় জানাতে পারেন এলার্জিকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক মুক্তির উপায়টি-

ঘরে বসেই এলার্জি রোগ এর সমাধান এবং বাংলার সকল সরকারি-বেসরকারি, এনজিও চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ আমাদের ওয়েবসাইট Top Chakri.com এ প্রকাশ করা হয়। তাই নতুন সকল চাকরির আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন এবং Facebook পেজটিতে Like দিন।

ঘরে বসেই এলার্জি রোগ এর সমাধান

গাঁদা একটি সুগন্ধী ফুল যা সর্বত্র সহজে জন্মায় এবং গৃহসজ্জায় ব্যবহৃত হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Tagetes erecta। গাঁদা ফুল বিভিন্ন জাত ও রঙের দেখা যায়। এই ফুল সাধারণত উজ্জল হলুদ ও গাঢ় খয়েরী হয়ে থাকে। সাধারণত: এটি শীতকালীন ফুল হলেও বর্তমানে এটি গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালেও চাষাবাদ হয়ে থাকে। বাগানের শোভা বর্ধন ছাড়াও বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠান, বিয়ের বাসরঘর/ যেকোনো প্রকার অনুষ্ঠানের সাজসজ্জায়য়, পূজা-পার্বন ও গৃহসজ্জায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে!

জাতঃ বাংলাদেশে প্রধানত দুই ধরনের গাঁদা ফুল পাওয়া যায়ঃ

আফ্রিকান গাঁদাঃ এই শ্রেণীর গাঁদা হলুদ রঙের, গাছের আকৃতি বেশ বড়। উল্লেখযোগ্য জাতসমূহ হলঃ ইনকা, গিনি গোল্ড, ইয়েলা সুপ্রিম, গোল্ডস্মিথ, ম্যান ইন দি মুন, ইত্যাদি।

ফরাসি গাঁদাঃ এই শ্রেণীর গাঁদা কমলা হলুদ রংয়ের হয়ে থাকে। এজন্য এদের রক্তগাঁদাও বলা হয়। এর গাছ ক্ষুদ্রাকৃতির। পাপড়ির গোড়ায় কালো ছোপ থাকে। উল্লেখযোগ্য জাতসমূহ হলঃ মেরিয়েটা, হারমনি, লিজন অব অনার, প্রভৃতি। এছাড়াও সাদা গাঁদা, জাম্বো গাঁদা, হাইব্রিড এবং রক্ত বা চাইনিজ গাঁদার চাষ হয়ে থাকে।

স্কিন এলার্জি রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায়

মহান সৃষ্টকর্তা আমাদের সুখের জন্য অনেক কিছুই সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে গাঁদা ফুল। যার দ্বারা আমরা পেইনকিলার বা অ্যান্টিবায়োটিক টাইপের কোন ওষুধ না খেয়ে বহু রোগকে গোড়া থেকে নির্মুল করতে পারি। আর সেগুলি আপনাদের বাড়ির আশে-পাশেই রয়েছে। না জানার কারনে আমরা সেগুলি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারিনা। আজকে আমি এর্লাজেটিক রাইনাইটিস (এলার্জি রোগ) এবং বিভিন্ন ধরনের স্কিন এলার্জি থেকে আমরা কিভাবে সহজেই মুক্তি পেতে পারি, সে বিষয়গুলি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।

বর্তমান যুগে ডাস্ট পলুউশন (Pollution) এবং বিভিন্ন কারনে অনেকে স্কীন এলার্জি এবং এলার্জেটিক রাইনাইটিস রোগে ভূগছেন। হয়তো আপনারা এন্টি এলার্জিক মেডিসিন খাইতে খাইতে বিরক্ত হয়ে গেছেন। স্কিন এলর্জি এবং এলার্জিটিক রাইনাইটিস এর ক্ষেত্রে গাঁদাফুল গাছ একটি অত্যান্ত উপকারি মহা ঔষধ।

হয়তো প্রত্যেকের বাড়িতে এই গাছ রয়েছে। কিন্তু আপনি কি এই গাছের উপকারিতা এবং ব্যবহার সম্পর্কে জানেন? না জেনে থাকলে পুরো তথ্যগুলি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

এলার্জি রোগ প্রতিরোধে গাঁদা ফুলের ব্যবহার

ব্যবহারঃ
তিন থেকে চার গ্রাম এই গাঁদাফুল গাছের ফুল এবং পাতা ভাল করে ড্রাই করে সেগুলি ৪০০ গ্রাম পানিতে গরম করুন। এমনভাবে গরম করুন, যতক্ষন না এই পানি ১০০ গ্রামে পরিনত হয়। অর্থাৎ যখন পাত্রে ১০০ গ্রাম পানি অবশিষ্ট থাকে তখন গরম করা বন্ধ করুন। এই তরল গরম পানিটুকু ভাল করে ছেকে নিন।

যারা স্কীন এলার্জিট রোগের সমস্যায় ভূগছেন অথবা এলার্জিটিক রাইনাইটিস রোগে ভূগছেন তারা প্রতিদিন এই তরল পান করুন। কমপক্ষে ০৭ দিনের জন্য। দেখবেন ০৭দিনেই এই এলার্জি রোগ বা রাইনাইটিস অনেকাংশে ভাল হয়ে গেছে।
যদি আপনারা একেবারে এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে এই তরলের সাথে এক চামুচ আদার রস এবং এক চামুচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেতে পারেন। দেখবেন এই এলার্জি থেকে একেবারে চিরতরে মুক্তি পাবেন।

এলার্জি রোগ প্রতিরোধে গাঁদা ফুলের উপকারিতা

উপকারিতাঃ
এই পানি স্কীন এলার্জি বা এলার্জিটিক রাইনাইটিস ছাড়াও সর্দি, কাশি এবং শ্বাস কষ্টের সমস্যার ক্ষেত্রেও একটি উপকারি মহা ঔষধ । কাঁটা স্থানে গাদা ফুল গাছের রস লাগালে ক্ষত স্থান থেকে রক্ত পরা বন্ধ হয়। গ্রামে এখনও এটি ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গাঁদা ফুলের চা নিয়মিত পান করলে মুখের ব্রণ দূর হয়, ত্বক মসৃন হয়, হজম শক্তি বাড়ায়, হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়, আর্থাইটিসের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়।

গাঁদা ফুল শুকিয়ে পুড়ে ছাই দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয়, মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, মুখের ঘা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আমরা জানি অনেক হিন্দু ভাইয়েরা তাদের ভগবানের পুজার ক্ষেত্রে এই ফুল ব্যবহার করে থাকেন। একবার মেডিসিন হিসাবেই ব্যবহার করে দেখুন না?

এলার্জি রোগ প্রতিরোধে Best formula ২০২১

প্রকৃতি আমাদের সবকিছু দান করেছে। শুধু সেগুলির প্রকৃত ব্যবহার জানতে হবে। আর সেটা জানতে পারলে আপনারা অধিকাংশ রেগের চিকিৎসা ঘরে বসেই করতে পারবেন। কোন ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হবেনা।

প্রিয় বিশ্ববাসি, আশা করি আমার দেওয়া এই তথ্যগুলি আপনাদের ভাল লাগবে এবং উপকারে আসবে। ভাল লাগলে পোস্টটিতে একটি Like এবং Share করতে ভূলবেন না। Share করলে অন্যেরাও ভিডিওটি পাবে এবং আপনাদের মত উপকৃত হবে।
আপনারা সকলেই ঘরে থাকুন, ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন এই কামনা করে আজকের মতে এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here