পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট প্রশ্ন উত্তর ২০২১ এখানে প্রকাশ করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ২০২২ সালের এইচএসএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন পরীক্ষায় যারা অংশ গ্রহন করবে তারা উক্ত এসাইনমেন্টের উত্তর এখানে পাবেন।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

১৩ জুন, ২০২১ সরকারি-বেসরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ২০২২ সালের পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচীর (সংক্ষিপ্ত সিলেবাস) আলোকে প্রথম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ “মাউশি” এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://dshe.gov.bd -এ প্রকাশ করা হয়।

এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করা হয়েছে (এনসিটিবি) অনুমোদিত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর মূল পাঠ্যবই হইতে। এই এসাইনমেন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন কেবলমাত্র ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রীগন।

১ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ ২০২১

কোভিড-১৯ এর কারণে বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ থাকায় উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য মোট ৩০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এনসিটিবি। এসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৪ জুন, ২০২১ তারিখ থেকে।

৩০ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর মধ্যে প্রথম সপ্তাহে দেওয়া হয়েছে মোট ০৬টি বিষয়ের উপর। বিষয়গুলি হলো- বাংলা, পদার্থ বিজ্ঞান, পৌরনীতি ও সুশাসন, অর্থনীতি, যুক্তিবিদ্যা এবং হিসাব বিজ্ঞান। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ১ম সপ্তাহের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সকল বিষয়ের এসাইনমেন্ট, প্রশ্ন-উত্তর ২০২১ আমাদের ওয়েবসাইট Top Chakri.com এ প্রকাশ করা হয়েছে।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট প্রশ্ন উত্তর 1st week

এসাইনমেন্ট এর শিখনফলঃ

১) পৌরনীতির ধারণা ব্যাক্ষা করতে পারবে-
২) পৌরনীতি ও সুশাসনের ক্রমবিকাশ বর্ণনা করতে পারবে-

অ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ নাগরিক সভ্যতার ক্রমবিকাশে পৌরনীতি ও সুশাসনের ধারণা বিশ্লেষণপূর্বক একটি নিবন্ধ রচনা কর।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট উত্তর 1st week ২০২১

উত্তরঃ পৌরনীতি ও সুশাসনের ধারণা ও পরিধি

পৌরনীতির ধারণাঃ

পৌরনীতি হল সামাজিক ও নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ civics (সিভিক্স)। Civics শব্দটি ল্যাটিন শব্দ civis এবং Civitas শব্দ থেকে এসেছে। civis এবং civitas শব্দের অর্থ যথাক্রমে নাগরিক (Citizen) ও নগররাষ্ট্র (City State)। সুতরাং শব্দগত বা উৎপত্তিগত অর্থে civics বা পৌরনীতি হল নগর রাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের আচার-আচরণ, রীতিনীতি ও কার্যাবলি সংক্রান্ত বিজ্ঞান। তবে প্রাচীনকালে ভারতবর্ষে এবং গ্রীসে civics বা পৌরনীতি বলতে নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্যকে বােঝানাে হতাে।

সংস্কৃত ভাষায় নগরকে (city) পুর’ বা ‘পুরী এবং নগরে বসবাসকারীদেরকে ‘পুরবানী’ বলা হয় । যার জন্য নাগরিক জীবনের অপর নাম ‘পৌর জীবন’ একং নাগরিক জীবনের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কিত বিদ্যার নাম পৌরনীতি। প্রাচীন গ্রীসে এক একটি নগর ছিল এক একটি রাষ্ট্র। রাষ্ট্রগুলাের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিল এথেন্স এবং স্পার্টা। এ নগর রাষ্ট্রগুলাের আয়তন ও জনসংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম। নগর রাষ্ট্রের সকল জনগণকে নাগরিক বলা হতাে না। কেবল নগর রাষ্ট্রের যারা রাজনৈতিক অধিকার ভােগ করত অর্থাৎ রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনায় যারা অংশগ্রহণ করতাে তাদেরকেই ‘নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হতাে। উল্লেখ্য নারী ও বিদেশীরা এসব নগর রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিবেচ্য হতাে না। এসব নগর রাষ্ট্রে বনবাসকারী নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য, আচার-আচরণ, রীতিনীতি নিয়ে আলােচনা করা হতাে পৌরনীতিতে।

সুতরাং শব্দগত এবং মূলগত অর্থে পৌরনীতির ধারণা ছিল অনেকটা সিমিত ও সংকীর্ণ। বর্তমানে পৌরনীতিকে কেবল শব্দগত অর্থে আলােচনা করা হয় না। কেননা, বর্তমান আধুনিক রাষ্ট্রগুলাে গ্রীসের নগররাষ্ট্র (City State) এর মতাে নয়, বরং এগুলো এখন জাতি রাষ্ট্র (Nation State) হিসেবেই পরিগণিত হয়েছে। প্রাচীন গ্রীসের নগররাষ্ট্রগুলাের অপেক্ষা বর্তমান আধুনিক জাতি রাষ্ট্রগুলাে আয়তনে বড় এবং জনসংখ্যাও বেশি এসব জাতি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবন এবং কার্যাবলি জটিল ও বহুমুখী। আধুনিক জাতি রাষ্ট্রে নাগরিকদের ভূমিকা ও কার্যাবলি, আচার আচরণ এবং তাদের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারাবাহিক পর্যালােচনার মাধ্যমে যে শাস্ত্র আদর্শ নাগরিক জীবনের জ্ঞান দান করে তাকেই পৌরনীতি বলে।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট উত্তর 1st week

ই এম হেয়াইট (E.M. White) মনে করেন, “পৌরনীতি হল জ্ঞানের সেই শাখা যা এক জন নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়,জাতীয় ও মানবতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করে । ” (Civics is that branch of human knowledge which deals with everything relating to a citizen- past, present and future; local, national and human.”)

ফ্রেডরিখ জেমন গোল্ড (Frederick James Could) বলেন, “পৌরনীতি হচ্ছে প্রতিষ্ঠান, আচরণ ও চেতনার অধ্যয়ন শাস্ত্র যার মাধ্যমে একজন পুরুষ বা নারী কোন একটি রাজনৈতিক সম্প্রদায়ের সদস্য হিাবে কর্তব্য পালন করতে পারে এবং এর সুযােগ-সুবিধাগুলাে গ্রহন করতে পারে।” (Civics is the study of institutions, habits and spirit by means of which a man or women may fulfil the duties and receive the benefit of membership in a political community.”)

Webster’s International Dictionary তে বলা হয়েছে, “পৌরনীতি হল রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সেই শাখা, যা নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলােচনা করে”। (Civics is that department of Political Science dealing with rights of citizenship and duties of citizen.”)

সুতরাং পৌরনীতি হল সেই শাস্ত্র যা নাগরিক, নাগরিকের কার্যক্রম, অধিকার ও কর্তব্য, নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত দিক এবং নাগরিকের সংগঠনসমূহ, রাষ্ট্র ও বিশ্বমানবতা সংক্রান্ত সকল বিষয়ের সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে ।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

সুশাসনের ধারণাঃ

সুশাসন শব্দটি পৌরনীতির সাম্প্রতিক সংযোজন। সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Good Governance’। সুশাসনকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হলে শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সকলেরই থাকতে হবে। Governance হল একটি বহুমাত্রিক ধারণা যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ, ক্ষেত্র এবং প্রেক্ষাপট থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। Government এর মতই Governance শব্দটি এসেছে ‘kuberngo’ নামক ল্যাটিন শব্দ থেকে, যার অর্থ পরিচালনা করা। সাধারণত Governance বা শাসন এমন একটি পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনাে সংস্থা, সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন৷ সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন। ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘােষণা করেন। এ চারটি স্তম্ভ হল-

দায়িত্বশীলতা
স্বচ্ছতা
আইনী কাঠামাে ও
অংশগ্রহণ

বিভিন্ন রাষ্ট্র বিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে সুশাসনের সজ্ঞা প্রদান করেছেন-

ম্যাক করণী (Mac Corney) এ প্রসঙ্গে বলেন, “সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়”।

মারটিন মিনােগ (Martic Minogue) সুশাসন সম্পর্কে বলেন, “ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলাে উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তােলে।”

মিল (Mill) মনে করেন, সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামাের মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা পরিস্কারভাবে জানিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুশাসন সরকার পরিচালনা অপেক্ষা একটি বিস্তৃত ধারণা যা একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ডে সামাজিক নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের প্রশ্নে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকার সাথে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।”

পরিশেষে বলা যায় যে, সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জনগণের কল্যাণ শাসনকার্য পরিচালনাই হচ্ছে সুশাসন। সুশাসন সেই শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের তথা রাষ্ট্রের সার্বিক কল্যাণ সাধিত হয়।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান 1st week

পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিঃ

পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ব্যাপক ৷ পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি সম্পর্কে নিচে আলােচনা করা হলঃ

১) নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞানঃ পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিকের উত্তম ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা করা পৌরনীতি ও সুশাসনের প্রধান লক্ষ্য। পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য, সচেতনতা, সুনাগরিকতা, নাগরিকতা অর্জন ও বিলােপ, নাগরিকতার অর্থ ও প্রকৃতি, সুনাগরিকের গুণাবলি প্রভৃতি সম্পর্কে আলােচনা করে ৷

২) মৌলিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিতঃ মানব সভ্যতার ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায় পরিবার হল আদি ও অকৃত্রিম প্রতিষ্ঠান। কালের বিবর্তন ধারায় পরিবারের সম্প্রসারণ হয়েছে এবং গড়ে উঠেছে রাষ্ট্র ও অন্যান্য বহুবিধ সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। পৌরনীতি ও সুশাসন পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ, রাষ্ট্রের কার্যাবলি প্রভৃতি মৌলিক প্রতিষ্ঠানসমুহ পৌরনীতি ও সুশাসনের অন্তর্ভুক্ত।

৩) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিজ্ঞানঃ পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ওৎপ্রােতভাবে জড়িত। রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের ধারণা, রাষ্ট্রের উৎপত্তি, রাষ্ট্রের কার্যাবলি, রাষ্ট্র সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ, রাষ্ট্রের উপাদান, সংবিধান, সংবিধানের শ্রেণিবিভাগ, সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, সরকার, সরকারের শ্রেণিবিভাগ, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ, জনমত, জনমতের বাহন, নির্বাচকমন্ডলী, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত।

8) সামাজিক ও রাজনৈতিক বিমূর্ত বিষয় নিয়ে আলােচনাঃ পৌরনীতি ও সুশাসন সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিমূর্ত বিষয় নিয়ে আলােচনা করে৷ আইন, আইনের উৎস ও প্রকৃতি, আইন ও নৈতিকতা, স্বাধীনতা, স্বাধীনতার প্রকৃতি, স্বাধীনতার রক্ষাকবচ, সাম্য ও স্বাধীনতা, সাম্যের প্রকারভেদ প্রভৃতি সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসন আলােচনা করে।

৫) রাজনৈতিক ঘটনাবলি সম্পর্কিত বিজ্ঞানঃ পৌরনীতি ও সুশানন রাজনৈতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়ে আলােচনা করে থাকে। যেমন- বাংলাদেশে পৌরনীতি ও সুশাসন ১৭৫৭ পলাশীর যুদ্ধ, সিপাহী বিদ্রোহ, ১৯৪০ সালের লাহর প্রস্তাব, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের সাধরন নির্বাচন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, সামরিক অভ্যুত্থান ইত্যাদি রাজনৈতিক পর্যায় সম্পর্কে আলােচনা করে।

পৌরনীতি ও সুশাসন এইচএসসি এসাইনমেন্ট Solution 1st week

৬) সুশাসন সম্পর্কে আলােচনাঃ পৌরনীতি ও সুশাসন রাষ্ট্রের সুশাসনের বৈমাত্রিক ধারণা সম্পর্কে আলােচনা করে। সুশাননের উপাদান, সুশাননের সমস্যা, সুশাসনের সমস্যার সমাধান, সুশাসনের সমস্যা সমাধানে সরকার ও জনগণের ভুমিকা সম্পর্কে পৌরনীতি ও সুশাসন বিশদ আলােচনা করে।

৭) নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলােচনাঃ পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যের বর্তমান স্বরূপ সম্পর্কে আলােচনা করে এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নাগরিক জীবনের আদর্শ ও স্বরূপের ইঙ্গিত প্রদান করে।

৮) নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিক নিয়ে আলোচনাঃ পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের সামাজিক ও
রাজনৈতিক কার্যাবলির সাথে সম্পৃক্ত স্থানীয় সংস্থার (যেমন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ইত্যাদি) গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নিয়ে আলােচনা করে। নাগরিকের জাতীয় বিষয় যেমন- স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি, মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন জাতীয় নেতার অবদান, দেশ রক্ষায় নাগরিকের ভূমিকা, জাতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ সম্পর্কে আলােচনা করে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন এবং বিভিন্ন ঘটনাবলি সম্পর্কেও পৌরনীতি ও সুশাসন আলােচনা করে।

৯) বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামজিক সমস্যাঃ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামজিক সমস্যা ও তার সমাধানও পাওয়া যায় এর মাধ্যমে। যেমন ইভটিজিং, দুনীতি, ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স (ই-গভর্নেন্ম), দারিদ্র বিমােচনের মত বিষয়গুলির আলােচনা পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেছে।

১০) সুশাসন ও ই-গভর্নেন্সঃ পৌরনীতি ও সুশাসন বর্তমান সময়ে সুশানন ও ই-গভর্নেন্স নিয়ে আলােচনা করে সরকার কিভাবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন চমৎকারভাবে আলােচনা করে থাকে।

পরিশেষে বলা যায় যে, পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ও বিষয়বস্তু ব্যাপক ও বিস্তৃত। নাগরিকের জীবন ও কার্যাবলি যতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধিও ততদূর পর্যন্ত বিস্তৃত।

পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ সহ বাংলার সকল সরকারি-বেসরকারি এবং এনজিও চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ আমাদের ওয়েবসাইট Top Chakri.com এ প্রকাশ করা হয়। তাই নতুন সকল চাকরির আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন এবং Facebook পেজটিতে Like দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here